ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিতদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলার জমিন ডেস্ক :
আপলোড সময় : ১৪-০৩-২০২৬ ০২:০০:০৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৪-০৩-২০২৬ ০২:০০:০৪ অপরাহ্ন
ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিতদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্য সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং এ উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের অবদানকে সম্মান জানাতেই সরকার এই সম্মানি প্রদান কর্মসূচি চালু করেছে।

তিনি বলেন, “ধর্মীয় নেতারা সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও নৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের আর্থিক সহায়তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্বের অংশ।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এই সম্মানি প্রদান কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারে দায়িত্ব পালনকারী ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত এবং বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের নিয়মিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ। তারা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

ধর্মীয় নেতারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ তাদের জন্য এক বড় ধরনের স্বীকৃতি। তারা আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং তারা আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের মিলিত আবাসস্থল। এখানে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশে বসবাস করে আসছে। এই ঐতিহ্য বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Jamin

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ